Update Time : ফেব্রুয়ারি, ২৬, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
9 View
ভোরের আলো বিডি ডেস্ক ঃ
কদ্দুস বয়াতির কাছে তালিম পাওয়া ইসলাম উদ্দিন আজ গৌরব ছিনিয়ে আনলেন কিশোরগঞ্জের। গ্রামীণ সংস্কৃতির ধ্যান-ধারণা ও কৃষ্টি ফুটিয়ে তুলতে তার অঙ্গভঙ্গিসহ তার সুরেলা গানের প্রকাশ ধরন ও ধাচের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে আসছিলেন। ১৯৮৮ সাল থেকে তার গ্রামের সংস্কৃতি তথা কিচ্ছা-কাহিনীর চর্চা ছিল নিরন্তর। পালাগানে ছিল বাজিমাত।
গ্রামের মঞ্চে মঞ্চে পালা করে বেড়িয়েছেন ইসলাম উদ্দিন। স্বপ্ন ছিল পালাকার হিসেবে এই সংস্কৃতির শিকড় মজবুত করা। তাই তো স্বপ্ন সারথীর খোঁজে কখনো পিছু হটেননি। দেশের নানা প্রান্তের গ্রামে মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে আছে তার শিল্প। এভাবেই তিনি নিজেকে আবিষ্কার করলেন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। সেখানেও ছড়িয়েছেন সংস্কৃতির সুবাতাস। বড় মঞ্চের আলো নয়, মাটির গন্ধেই তার আসল ঠিকানা।
কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামে বসবাস করেন ইসলাম উদ্দিন পালাকার। তিনি তার মেধায় আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পেয়েছেন দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, ‘একুশে পদক ২০২৬’। লোকজ সংস্কৃতি আর পালাগানে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তার হাতে এ পদক তুলে দিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কিশোরগঞ্জের জনগন এতে উল্লসিত। করিমগঞ্জের মানুষ তাদের মোবাইল পোস্টে জানিয়েছেন অকৃত্রিম ভালবাসা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন! কমেন্টে গিয়ে প্রকাশ করেছেন এলাকার প্রতিটি সংস্কৃতি প্রেমী অঙ্গন।
একুশে পদক পাওয়া ইসলাম উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এক আবেগ ঘন অনুভুতি ব্যক্ত করেছেন।
তিনি ফেসবুক পেজ এ লিখেছেন—-“দীর্ঘ পথচলায় কখনো ভাবিনি এমন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা আমার হাতে উঠবে। আজ নিজেকে সার্থক মনে হচ্ছে। যারা সবসময় আমার পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছেন, আজকের এই অর্জন তাদের সবার। ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে পদক গ্রহণের মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা করছি।”
Leave a Reply